Thu. Oct 22nd, 2020

Banglar Nari

Blog and News Portal

শতগুণের অধিকারী শরিফুন নাহারের গল্প

1 min read
শরিফুন

একজন মানুষের কতগুলো পেশাগত পরিচয় হতে পারে? ১, ২ বা তিনটি? পরিচয় থাকলেও একজন মানুষ কি এতগুলো পেশায় একই সাথে দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন? আবার সেটা যদি হয় বাংলাদেশে এবং একজন নারীর ক্ষেত্রে, তাহলে সেটা কতটা কঠিন হয়ে ওঠে তা কি ভাবা যায়!

উপরে বলা এই সমস্ত কঠিন কাজকে একই সাথে বাস্তবে রুপ দিয়ে দেখিয়েছেন সাংবাদিক, কবি, সাহিত্যিক, গীতিকার ও রান্না বিশেষজ্ঞ শরিফুন নাহার। জীবনের সকল কীর্তি নিয়ে কথা বলতে শরিফুন নাহার মুখোমুখি হয়েছিলেন বাংলারনারী২৪.কম এর। অনেক কথার মাঝে জানা গেল কীভাবে একই সাথে এতগুলো ক্ষেত্রে সফলতার সাক্ষর রাখলেন তিনি।

শরিফুন নাহার জানালেন, তার পেশাগত জীবনের শুরুটা ২০০৬-০৭ সালে দৈনক মানবকন্ঠে সাংবাদিকতা দিয়ে। যেই পেশার অভিভাবক হয়ে এখনই তিনি সফলভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সাংবাদিকতা জীবনের শুরুতে করেছেন রিপোর্টিং। সফলতার সাক্ষর রেখেছেন একজন ক্রাইম রিপোর্টার হিসেবে। কিন্তু পারিবারিক চাপ আর সামাজিক বাস্তবতার কারণে আর ক্রাইম রিপোর্টিং করা হয়নি। এরপরে সাফল্যের সাথে কাজ করেছেন একজন অভিজ্ঞ ফিচার রাইটার হিসেবে।

অভিজ্ঞ একজন ফিচার রাইটার থেকে লেখিকা হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ২০১৪ সালে। সে বছর তাঁর লেখা অনেকগুলো প্রবন্ধ নিয়ে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম বই ‘প্রকৃতি, ফুল, ফল ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ’। বইটি মূলত বাংলাদেমের ৬ টি ঋতুর সৌন্দর্য দিয়ে সাজানো।

এরপর একজন সফল লেখক হিসেবে কেবলই সামনে এগিয়ে যাওয়া। পর্যায়ক্রমে পরের তিন বছরে প্রকাশিত হয়েছে তাঁর আরও তিনটি বই। মজার বিষয় হলো প্রতিটি বই ই আলাদা ধরনের। তাঁর প্রকাশিত পরবর্তী গ্রন্থগুলো হলো: ‘অর্পা’, ‘জীবনের কবিতা’ ও ‘আমার রসুই ঘর রান্নার সহজ রেসিপি’। এই বইগুলোর একটি উপন্যাস, একটি কাব্যগ্রন্থ ও অন্যটি রান্নার রেসিপি বিষয়ক বই। এই সবগুলোই প্রকাশিত হয়েছে পরপর চার বছরের বই মেলায়। এবং প্রতিটি বই ই ব্যাপকভাবে পাঠকপ্রিয় হয়েছে।
নিজ কর্মের স্বীকৃতি হিসেবে অনেকগুলো পুরস্কারও পেয়েছেন গুনী এই লেখক ও সাংবাদিক।

ইতোমধ্যেই তাঁর লেখা ১৪ টি গান নিয়ে গানের অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে। খুব শিগগিরই আরও কিছু কবিতা নিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্চে তার ওয়েব সিরিজ। এগুলো প্রকাশিত হবে ইউটিউবে।

আসন্ন বইমেলা ২০১৯ এ আবারও প্রকাশিত হতে যাচ্ছে তাঁর নতুন বই: ‘শেষ বিকেলের আয়না’- এটি একটি জীবন ভিত্তিক উপন্যাস। এর মূল থিম হলো: বাল্যবিবাহ বন্ধ করো। আমি বাল্যবিবাবাহের বিরুদ্ধে নিজের লড়াইয়েরর অংশ হিসেবেই এই বইটি লিখেছি।
নিজের জীবনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি জানালেন: আগামীতে যতদিন বেঁচে থাকি, লেখালেখি করেই যাব। সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক আন্দোলন নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।

একজন লেখক হিসেবে জাতীয় রাজনীতি নিয়েও রয়েছে তাঁর সুচিন্তিত ভাবনা। তিনি জানালেন: মানুষ নিশ্চয় শান্তি এবং উন্নয়নের পক্ষেই থাকবে। যে সরকার উন্নয়ন করবে মানুষ তাদের পাশেই থাকবে। সব দিক দিয়েই তো বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ অনেক দিক দিয়েই খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবে।
ইডি/এমএইচআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিভাগ সমূহ

October 2020
M T W T F S S
« Sep    
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031